আজ দেখা যাবে ১০০ বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

80

বিশ্ববাসী এ শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে আজ। এই চন্দ্রগ্রহণ প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হবে বলে জানা গেছে। যদিও এটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ নয়। এই গ্রহণে ঢাকা পড়বে চাঁদের ৯৭ শতাংশ।

১০০ বছরের দীর্ঘতম এই চন্দ্রগ্রহণটি দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও। আজ পৃথিবী চলে আসবে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ায় শুরু হবে গ্রহণ।

টাইম জোনের হিসাব অনুযায়ী, মহাজাগতিক এই দৃশ্য উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশ থেকেও দেখা যাবে।

এই চন্দ্রগ্রহণ চলবে ৩ ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। ২০০১ থেকে ২১০০-এটাই হতে চলেছে এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই ১০০ বছরে মোট ২২৮টি চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই এক মাসের মধ্যে দু’টি করেও চন্দ্রগ্রহণ হবে। তবে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণের দেখা মিলবে আজ।

মূল চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৯ মিনিটে। চলবে ৩ ঘণ্টা ২৮ মিনিট এবং ২৪ সেকেন্ড। এরপর পিনামব্রাল চন্দ্রগ্রহণের সময় তা বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে।
গ্রহণের এ পর্যায়ে পৃথিবীর প্রচ্ছায়ায় না থেকে উপচ্ছায়ায় থাকে চাঁদ। আর মূল গ্রহণের মতো চমকপ্রদও নয়। তবুও আজ বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে চাঁদে চোখ রাখতে পারেন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলে আংশিক গ্রহণের শেষ দিকে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে। ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে বলে জানানো হয়।
চন্দ্রগ্রহণ চলাকালে চাঁদের ৯৭ অংশ লাল হয়ে থাকবে যেটি ‘ব্লাড মুন’ নামেও পরিচিত। চন্দ্রগ্রহণ সবচেয়ে ভালোভাবে দৃষ্টিগোচর হবে উত্তর আমেরিকায়। সেখানকার ৫০টি প্রদেশ ও মেক্সিকো থেকে গ্রহণের প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পারবেন মহাকাশপ্রেমীরা।

তবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। তবে ইন্টারনেটে দেখা যাবে এই গ্রহণ। নাসার লাইভ স্ট্রিম দেখতে পাবেন এই লিংকে-