গোল্ডেন বুট রোনালদোর

41

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের খেতাব নিয়ে খেলতে নেমে ইউরো কাপের এবারের আসরে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি পর্তুগাল। বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্বে। ফাইনাল, সেমিফাইনাল এমনকি কোয়ার্টার ফাইনালেও খেলা হয়নি ইউরোর সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে সৌরভ ছড়িয়ে ইউরো ২০২০ শেষে বাজিমাত করেছেন তিনি। জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরষ্কার গোল্ডেন বুট।

হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের ব্যবধানে জিতে এবারের ইউরোর আসর শুরু করেছিল পর্তুগাল। তবে ধারাবাহিকতা ধরের রাখতে পারেনি তারা। গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ছিটকে পড়ার শঙ্কা জেগেছিল। তবে পরের ম্যাচে ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র করে কোনোরকমে দ্বিতীয় পর্বে ওঠে পর্তুগাল। সেখানে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। বেলজিয়াম বাধা টপকাতে পারেনি পর্তুগাল।

দল ভালো না করলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়েছেন রোনালদো। বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোল না পেলেও গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে ৫ বার জালের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দলের বাকি দুই গোলের একটিতে আবদান তার। এর পুরষ্কারই পেয়েছেন রোনালদো। জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরষ্কার গোল্ডেন বুট।

যদিও রোনালদোর সমান ৫টি গোল করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের প্যাট্রিক শিকও। তবে অ্যাসিস্ট সংখ্যায় এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুট জিতেছেন এই পর্তুগিজ। ফাইনালে ওঠা ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেনের সামনে ছিল সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদোকে ছাড়িয়েছে যাওয়ার সুযোগ। সেমিফাইনাল পর্যন্ত ৪টি গোল করেছেন তিনি। কিন্তু ফাইনালে উঠেও ব্যর্থ কেন। গোলের দেখা পাননি। যার ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে কেউই টপকাতে পারেনি রোনলদোকে।

এক নজরে ইউরোর সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকা-

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর (পর্তুগাল)- ৫ গোল, এক অ্যাসিস্ট।
প্যাট্রিক শিক (চেক প্রজাতন্ত্র)- ৫ গোল।
হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড)- ৪ গোল।
রোমেলো লুকাকু (বেলজিয়াম)- ৪ গোল।
করিম বেনজেমা (ফ্রান্স)- ৪ গোল
এমিল ফোর্সবার্গ (সুইডেন)- ৪ গোল, এক অ্যাসিস্ট।