তুরস্কে ভূমিকম্প : ৯১ ঘণ্টা পর জীবিত শিশু উদ্ধার, মৃত্যু বেড়ে ১০০

35
Rescuers search for survivors at a collapsed building after a powerful earthquake struck Turkey's western coast and parts of Greece, in Izmir, on October 30, 2020. - A powerful earthquake hit Turkey and Greece on October 30, killing at least six people, levelling buildings and creating a sea surge that flooded streets near the Turkish resort city of Izmir. (Photo by MERT CAKIR / AFP) / Turkey OUT (Photo by MERT CAKIR/AFP via Getty Images)

ভূমিকম্পে তুরস্কের ইজমির প্রদেশটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে এ ভূমিকম্পের প্রায় ৯১ ঘণ্টা অর্থাৎ ৩ দিন ১৯ ঘণ্টা পরে ধ্বংসস্তূপ থেকে এক শিশুকে জীবিত অবস্থা উদ্ধার করা হয়েছে। যেটা অনেকটা আশ্চর্যজনক বলেই প্রচার করছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

ওই শিশুর বয়স ৪ বছর। তার নাম আয়দা গেজগিন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে শিশুটি চিৎকার করতে থাকে। তার চিৎকার শুনে উদ্ধারকর্মীরা তাকে সেখান থেকে বের করে আনে।

তাকে উদ্ধারের বিষয়ে এক উদ্ধারকর্মী স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, সে মূলত রান্নাঘরে আটকা ছিল। ধ্বংসস্তূপে সে বাসনকোসনের ত্রিভুজের মধ্যে ছিল।

তবে শিশুটি সচেতন হওয়ায় তাকে উদ্ধার করা গেছে বলেও জানান তিনি।

jagonews24

শুক্রবার এজিয়ান সাগর থেকে তুরস্ক ও গ্রিসে আঘাত হানে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প। এতে এ পর্যন্ত ১০০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন সহস্রাধিক।

শুক্রবার বিকেলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর থেকেই উদ্ধার অভিযান চলছে। ভূমিকম্পে তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ইজমিরের অনেক ভবন ধসে পড়ে।

তবে জীবিত মানুষের চেয়ে প্রতিদিন অনেক মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। তবে ভূমিকম্পের মাত্রা নিয়ে কিছু বিতর্কও তৈরি হয়েছে। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭। এদিকে ইস্তাম্বুলের কান্দিলি ইনস্টিটিউট বলেছে ৬.৯ মাত্রার ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বলেছে, মাত্রা ছিল ৬.৬।