পরীমনির মাদক মামলার অভিযোগ গ্রহণ সোমবার

7

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য সোমবার (১৫ নভেম্বর) দিন ধার্য রয়েছে।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করবেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন- আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেন।

এর আগে ২৬ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল আলম অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য এই দিন ধার্য করেন।

এদিন পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের মূল বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত বিচারক ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

১৩ অক্টোবর একই আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার জন্য ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। গত ১০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর আদালত মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

ওই দিন পরীমনির আইনজীবী তার স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন। এছাড়া মামলার দুই আসামি আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেনেরও জামিন মঞ্জুর করা হয়।

৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল আদালতে পরীমনি, আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তার আগে ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে প্রতিবেদন দাখিল হওয়া পর্যন্ত পরীমনির জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্ত হন এ চিত্রনায়িকা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদকসেবন করতেন। এজন্য বাসায় একটি ‘মিনিবার’ তৈরি করেন। সেখানে নিয়মিত ‘মদের পার্টি’ করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজসহ আরও অনেকে তার বাসায় অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের সরবরাহ করতেন ও পার্টিতে অংশ নিতেন।

২০১৪ সালে সিনেমায় ক্যারিয়ার শুরু করা পরীমনি এ পর্যন্ত ৩০টি চলচ্চিত্র ও বেশ কয়েকটি টিভিসিতে অভিনয় করেছেন। পিরোজপুরের মেয়ে পরীমনিকে চলচ্চিত্র জগতে নিয়ে আসেন প্রযোজক রাজ।