পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন তফসিল থেকে বাদ

45

মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তৃতীয় ধাপের নির্বাচনী তফসিল থেকে বাদ পড়েছে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন। এতে ওই ইউনিয়নের ভোটার ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ মে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের ৩ মে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন খাঁন মারা যান। পরে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর এ ইউনিয়নে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলায় মোট ১১টি ইউনিয়ন। নিয়ম অনুয়ায়ী মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ধলামূলগাঁও বাদে অন্য ১০ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসলি ঘোষণা হয়। আগামী ২৮ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এসব ইউনিয়নে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেন। সেইসঙ্গে ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দেয়। কিন্তু তফসিলে এ ইউনিয়নের নাম না থাকায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের এরোয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মো. আল আমিন হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ভোটারদের কাছে একটি উৎসবের মতো। ফলে ভোটারসহ সব নাগরিকের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ বিরাজ করছিল। সবাই আশাবাদী ছিলেন ধলামূলগাঁওসহ উপজেলার সব ইউনিয়নের নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু তা না হওয়ায় আমরা হতাশ।

ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের গত উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আসন্ন নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী রেজুওয়ানুর রহমান বলেন, নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গত উপনির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় গণসংযোগ করে আসছি। কিন্তু তফসিল থেকে ধলামূলগাঁও বাদ পড়ায় হতাশ হয়েছি।

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, উপনির্বাচন শুধু অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য হয়। সে অনুযায়ী উপজেলার সবগুলো ইউনিয়নের নির্বাচন একসঙ্গে হওয়ার কথা। কিন্তু কী কারণে তফসিলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের নাম নেই- তা বলতে পারছি না। তবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবেই জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত আসে সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।