‘প্রকল্প বাস্তবায়নে সুইজারল্যান্ড-ইংল্যান্ডেও ধীরগতি হয়’

35

শুধু বাংলাদেশ নয় প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি সুইজারল্যান্ড-ইংল্যান্ডেও হয় বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১০টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। অনুমোদন দেওয়া হয় ১০ প্রকল্পের।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে বার বার সময় বৃদ্ধি কেন হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণে সমস্যা হয়। অনেকে জমি দিতে চায় না। এটা চলমান সমস্যা তারপরও প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি শুধু বাংলাদেশে নয় সুইজারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডেও হয়। আমার পরিচিত একজন সুইজারল্যান্ডে থাকেন, তিনিও বলেছেন তার স্থানীয় একটা রাস্তার কাজ দুই থেকে তিন বছরেও শেষ হচ্ছে না। একই অবস্থা ইংল্যান্ডেও।

সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতার কথা তুলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নট ইন মাই কান্ট্রি অ্যালোন, গো টু আমেরিকা, গো টু ইংল্যান্ড, গো টু সুইজারল্যান্ড। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এসব দেশে প্রকল্প দেরি হয়। সুইসরা ঘড়ির কাঁটা মতো চলে, তাদের জেনেভা শহরে আমি গতবছর গিয়েছি, তার আগেও গিয়েছি। মানুষ বকাঝকা করছে, রাস্তা কাটা অনেকদিন ধরে ঠিক হচ্ছে না।

একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন আমাদের ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে ইসলামিক শিক্ষা দিতে হবে। যেন যুবকরা জঙ্গিবাদে ঝুঁকে না পড়ে।

তিনি আরও বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণাঞ্চলে বেশি করে ধান চাষ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। ভালো হতে হবে কাজের মান। যে টাকা ব্যয় হয় তা যেন যথাযথভাবে ব্যয় হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন, পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম।