বাংলাদেশের বিজয় একটি ইতিহাস

79

এসে গেল বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাস এসো গেলো- আজ ডিসেম্বরের ২ তারিখ। পঞ্চাশ বছর আগে ১৬ ডিসেম্বর ন’মাসব্যাপী একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা ছিনিয়ে এনেছিলাম স্বাধীনতার লাল সূর্য্যকে। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। সে বিজয় শুধু একটি ভূখন্ডের নয়, নয় একটি মানবগোষ্ঠীর- সে বিজয় একটি চেতনার, একটি সংগ্রামের, একটি ইতিহাসের।

একটি ভাষন,নয় মাস রক্তক্ষয় যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদ,৩ লাখ মা বোনের ইজ্জত। সে বিজয় তো সীমাবদ্ধ নয় একটি দিবসে- তা অনুরণিত প্রতিদিন, প্রতি পলে, প্রতি প্রাণে,প্রতি মুহূর্তে। স্বাধীনতার একটি অন্তর্নিহিত মাত্রিকতা আছে, তবে স্বাধীনতা কোনও বিমূর্ত ধারণা নয়।

অন্যদিকে বিজয়েরও একটি বহি:মাত্রা আছে, কিন্তু বিজয় তো বোধের। সুতরাং বিজয় বা স্বাধীনতা শুধু উদযাপনের নয়, চেতনারও একে লালন ও ধারন করতে হবে এবং সেই চেতনা ধারণ করতে হবে বর্ষব্যাপী, প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে- যারা ১৯৭১ দেখেছে তাদের এবং যারা দেখেনি, তাদেরও।

যারা বিজয় দেখেছে তাদের একটি অংশ সেই চেতনাকে ধারন করে রাখতে পেরেছে কিন্ত সেই সঙ্গে এটাও তো সত্য যে অনেকেই সেই চেতনা বিস্মৃত হয়েছে এবং তাদের কেউ কেউ বেপথুও তো হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম দেখেছে, কিন্তু স্বীকার করে না, তাদের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়।

সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের চেতনাকে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামের সাক্ষী,আর যারা নতুন তাদের জন্য নতুন করে ফিরিয়ে আনতে হবে।জাতির পিতা,বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত নিয়ে কোন আপস নয়,জামাত,শিবির, স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে কোন আপস নয়,একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে হৃদয়ে জাতির পিতা ও বাংলাদেশ কে লালন ও ধারন করি,ভালবাসি বাংলাদেশ কে,শ্রদ্ধা করি এক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর শেখ হাসিনাকে।

লেখকঃ সাজ্জাদ হোসেন চিশতী,গণমাধ্যম শ্রমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা উপ কমিটি।