বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলেছে এটাই বড় কথা: প্রধানমন্ত্রী

37

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স মোটেও সন্তোষজনক নয়। সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখালেও মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক, সাকিবদের যাত্রা থেমে যায় সুপার টুয়েলভে।

বড় মঞ্চে এবারো বাংলাদেশ হতাশ করেছে। সুপার টুয়েলভে জেতেনি কোনো ম্যাচ। বাছাই পর্বে হেরেছে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। বিশ্বকাপের এমন পারফরম্যান্সে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রবল সমালোচনা হচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা রীতিমতো হতাশ। তবে ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে একটুও হতাশ নন। যারা হতাশ হচ্ছেন, তাদের ধৈর্য ধরার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘ক্রিকেট খেলেছেন কখনো? মাঠে গিয়েছেন? ব্যাট-বল ধরেছেন কখনো? ধরেননি… সেই জন্য জানেন না। কখন যে ব্যাট-বলে ঠিকমতো লাগবে, ছক্কা হবে এটা সব সময় সব অঙ্কে মেলে না। এটা বাস্তব কথা।’

আশা পূরণ না হলেও হতাশ নন প্রধানমন্ত্রী, ‘যেটা আশা করেছিলাম সেটা হয়নি। আমি কিন্তু আমাদের ছেলেপেলেদের কখনো হতাশ করি না। তাদেরকে আমি বলি আরো ভালো খেলো, আরো মনোযোগী হও, অনুশীলন করো।’

বিশ্বকাপে খেলেছে এটাকেই বড় করে দেখছেন শেখ হাসিনা, ‘একে তো করোনার সময় অনুশীলন করতে পারেনি। তারপরও বাংলাদেশ যে আজ বিশ্বকাপে খেলছে, বেশ কয়েকটি দেশকে হারাতে পারছে এটাও তো সবচেয়ে বড় কথা। বিশ্বকাপে খেলছে এটাও বড় কথা। যেটুকু পারছে সেটাই…।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি চাচ্ছি তাদের আরো উন্নত ট্রেনিং করাতে। যেন আরো ভালো খেলতে পারে। কথায় কথায় হতাশ হওয়া যাবে না। এটা আবার আমাদের মানসিক রোগের মতো হয়ে গেছে। একটুতেই হতাশ। আবার একটুতেই উৎফুল্ল। বেশি উৎফুল্ল হওয়া ভালো না আবার বেশি হতাশ হওয়া ভালো না। মাঝামাঝি ধৈর্য ধরে থাকি। আগামীতে নিশ্চয়ই ভালো করবে।’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে শুরুর পর বাংলাদেশ ওমান ও পাপুয়া নিউ গিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে উঠে। কিন্তু মূল পর্বে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পাত্তাই পায়নি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ছয় ম্যাচ হেরেছে।

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ মূল পর্বে কোনো ম্যাচ জেতেনি। ১৪ বছরের অপেক্ষা এবার দূর হয়নি। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার টুয়েলভে খেলবে বাংলাদেশ। পরের আসরে দূর হবে তো?