বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী’র স্বপ্ন আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার

40

মো. সুজন মোল্লা
যিঁনি স্বপ্ন দেখেন ও তা বাস্তবায়ন করেন তিঁনিই সোনার বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর বাংলাদেশে কোন গৃহহীন পরিবার থাকবে না। সে লক্ষে তিঁনি পরিকল্পনানুযায়ী কাজ করে সফলও হয়েছেন। তাঁর জন্যই দেশের হাজার হাজার পরিবার পাচ্ছেন মাথা গোজার শেষ আশ্রয়স্থল, বললেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহে আলম।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল বানারীপাড়ায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ন প্রকল্পের ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য নির্মানাধীন ঘর পরিদর্শন করতে আসলে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শাহে আলম এমপি আরও বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় কোন গ্রহহীণ পরিবার থাকবে না সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

১২ জুলাই (সোমবার) বিকালে বিভাগীয় কমিশনার বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের আলতা গ্রামে আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন ১৫৫ ঘর পরিদর্শনে যান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা,পৌর মেয়র এডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হুদা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মহসিন উল হাসান,থানার ইন্সেপেক্টর (তদন্ত) জাফর আহম্মেদ,পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল ঘরামী, এমপির এপিএস মোঃ জসিম উদ্দিন মোল্লা, সাংবাদিক শফিক শাহিন ও ফয়েজ আহমেদ শাওন, পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শিক্ষক হায়দার আলী,পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল চৌধুরী প্রমুখ।

এসময় বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল গৃহ ও ভূমিহীন হতদরিদ্র সাধারণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার নির্মাণাধীন এই ঘরগুলোকে সুন্দর ও বসবাসযোগ্য করে সাজিয়ে গুছিয়ে দিতে ইউএনওকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। তিনি এসময় নির্মাণাধীন ঘরের কাজের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে তিনি বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার,উদয়কাঠী ও সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন।

প্রসঙ্গত মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বানারীপাড়া উপজেলার ভূমি ও গৃহহীন ৩৫৫ পরিবারকে দু’শতক জমিসহ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন নির্মাণ করে দিচ্ছেন। এ উপজেলায় প্রথম ধাপে ২০০ ও দ্বিতীয় ধাপে ১৫৫ টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। জমিসহ সিহংভাগ পাকা এ ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে বাকি গুলো চলমান রয়েছে।