বিধিনিষেধেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে বাণিজ্যমেলা

4

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ মোকাবিলায় আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যেও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাণিজ্যমেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধের আলোকে আমরা দেখেছি, নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্যমেলার কার্যক্রম চালাতে কোনো অসুবিধা নেই। মেলা বন্ধ করার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বিধিমালার আলোকে যেভাবে করা দরকার সেভাবে হবে। মার্কেট-শপিংমল তো চলছেই, এটাও খোলা জায়গায় না। তবে যতটুকু খোলা আছে, সেখানে মানুষ যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করে সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে।

রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) চলছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার এরই মধ্যে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৩ জানুয়ারি থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে বিধিনিষেধ আরোপের প্রজ্ঞাপন জারির পরই মেলার কার্যক্রম চলবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। এর একদিন পরই মেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

নতুন ধরন ওমিক্রনসহ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে সারাদেশে বিধিনিষেধ কার্যকর করবে সরকার।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোভিড আক্রান্তের হার ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

একই সঙ্গে দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, অন্যথায় আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

এ বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যেও মেলা চললে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে অবশ্যই আরও বেশি ব্যবস্থা নেবো। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে মেলায় কঠোরতা বাড়বে। নিজেদের মতো করে বিধিনিষেধগুলো তৈরি করবো।