বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ছাড়াল

24

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে আরও আট হাজার ৯৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও পাঁচ লাখ আট হাজার ৫৮ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৮ হাজার ২৬৯ জনের মৃত্যু হয়। এ সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছিল আরও চার লাখ ৫৪ হাজার ২৪৪ জন।

শুক্রবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৩৬ জন প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪০ লাখ ২৬ হাজার ১৮৬ জনের। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭ কোটি চার লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৩ জন।

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখন পর্যন্ত বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ৪৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮৯৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ ২২ হাজার ২১৩ জন। আর সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি ৯২ লাখ তিন হাজার ৩০৮ জন।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন কোটি সাত লাখ ৪৩ হাজার ১৩ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে চার লাখ পাঁচ হাজার ৫২৭ জনের। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি ৯৮ লাখ ৭১ হাজার ৮৫০ জন।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। যদিও মৃত্যুর দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে তারা। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৪ জনে। এছাড়া এখন পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৮৯ লাখ ৬২ হাজার ৭৮৬ জন।

সংক্রমণ ও মৃত্যুর তালিকায় এর পরের স্থানগুলোতে রয়েছে ফ্রান্স, রাশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া ও ইতালি।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ২৯ নম্বরে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উদ্বেগজনক হারে সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এক ধাপ এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নয় লাখ ৮৯ হাজার ২১৯ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৫ হাজার ৭৯২ জন। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আট লাখ ৫৬ হাজার ৩৪৬ জনে। তালিকায় বাংলাদেশের আগে রয়েছে রোমানিয়া আর পরে পাকিস্তান।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর কয়েক দফায় পরিস্থিতির উন্নতি-অবনতি হয়। তবে গত কয়েক দিনের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।