বিড়াল ভেবে মেছোবাঘের ছানা ঘরে আনলেন শিক্ষক

28

শিক্ষক দিবা রানী কর বিড়াল ছানা মনে করে ঘরে আনেন মেছোবাঘের ৩টি ছানা। খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করে বিপাকে পড়েন তিনি। আকার, আকৃতি ও স্বভাব দেখে মনে প্রশ্ন জাগে এগুলো কি সত্যিই বিড়াল ছানা?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দেওয়ার পর জানতে পারেন এরা আসলে মেছোবাঘের ছানা। এরপর বন বিভাগের পরামর্শে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের ইছলা ছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিবা রানী কর বলেন, পশু পাখির প্রতি আমার একটা টান রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের কাছে একটি ছানার ডাক শুনে এগিয়ে যাই। এরপর টয়লেটের ছাদে আরও দুটি বাচ্চা দেখতে পেয়ে সেগুলো উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে আসি। বিড়াল ছানা মনে করে সেগুলোকে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। এরপর কোনো উপায় না পেয়ে কী করবেন জানতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিই।

ছবিগুলো দেখে বন্যপ্রাণী বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী বাচ্চাগুলো মেছোবাঘের বলে নিশ্চিত করেন। বন্যপ্রাণী বিভাগের পরামর্শে দিবা রানী কর বাচ্চাগুলো শুক্রবার রাতে ওই স্থানে ছেড়ে দেন। শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে দেখতে পান মা মেছোবাঘ বাচ্চাগুলো নিয়ে গেছে।