যে কারণে সাকিবের মহৎ কাজটি এক বছর পর জানা গেল

101

টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান তার নানাবাড়ি এলাকায় প্রায় এক বছর হলো একটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও সাকিবের এই মহৎ কাজ প্রকাশ্যে না আসার পিছনে ছিল তার অনিচ্ছা।
জানা গেছে, ২০২০ সালের এপ্রিলে মসজিদটি উদ্বোধন করা হয়। তখন থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করছেন। মসজিদ তৈরি করে দেয়ার মতো মহৎ কাজের প্রচার সাকিব নিজেই করতে চাননি। এ কারণে খবরটি এতদিন গোপন ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ শতাংশ জমির ওপর বারাশিয়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদের ভেতরে ছয়টি কাতার রয়েছে। যেখানে দুই শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ তৈয়ব বিশ্বাস জানান, মাগুরাতেই জন্মেছেন সাকিব। বারাশিয়া গ্রামে তার নানার বাড়ি। ১৯৮০ সালে গ্রামবাসীর উদ্যোগে প্রধান সড়কের পাশে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর দুই-তিন বছর পর মাদরাসাটির বিপরীত পাশে ৫ শতাংশ জমির ওপর মসজিদের কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমানে এর জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশ। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সাকিব নিজেই লোকবল নিয়োগ করে মসজিদটি নির্মাণের দায়িত্ব নেন।

গত বছরের এপ্রিলে ক্রিকেটার সাকিবের অর্থায়নে মসজিদটির প্রথম তলা নির্মাণের পর সেখানে ইমামতি করছেন মুফতি মো. আতিক উল্লাহ। তিনি বলেন, নানাবাড়ি এলাকায় সাকিবের এ মহৎ কাজে মুসল্লিরা খুবই খুশি হয়েছেন।

এ বিষয়ে সাকিব আল হাসানের ছোট মামা মাদরাসাশিক্ষক বাবলুর রহমান বলেন, সাকিব নিজের অর্থায়নে মসজিদটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। কিন্তু কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে সেটি আমাদের জানা নেই। কেননা বিষয়টি সাকিব কখনো প্রচার করতে চাননি।