লিভারপুল বিস্ফোরণ সন্ত্রাসবাদী হানা, দাবি পুলিশের

6

লিভারপুলের গাড়ি বিস্ফোরণকে ‘জঙ্গি হামলা’ আখ্যা দিল লন্ডন পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আজ লিভারপুল থেকে চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরণে গত কালই মৃত্যু হয়েছিল ‘হামলাকারীর’।

গত কাল সকাল ১১টা নাগাদ লিভারপুল হাসপাতালের প্রধান গেটের সামনে একটি ট্যাক্সিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। জ্বলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে কোনও ক্রমে প্রাণে বাঁচেন ট্যাক্সিচালক ডেভিড পেরি। প্রথমে ভাবা হয়েছিল, এটি একটি দুর্ঘটনা, কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে গাড়িতে আগুন ধরে গিয়েছে। কিন্তু পরে পুলিশের কাছে পেরি জানান, তাঁর ট্যাক্সিতে যে যাত্রী ছিল, সে শরীরে বিস্ফোরক বেঁধেই গাড়িতে উঠেছিল। বিস্ফোরণের কয়েক মুহূর্ত আগে তা টের পান পেরি। যাত্রীকে গাড়ির ভিতরে লক করে কোনও ক্রমে ট্যাক্সি থেকে লাফ মারেন তিনি। তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিস্ফোরণ হয় ওই ট্যাক্সিতে। উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ড পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখার প্রধান রুস জ্যাকসন জানিয়েছেন, ওই ট্যাক্সির ফরেন্সিক পরীক্ষা করে আইইডি মিলেছে। ময়না-তদন্তে পাঠানো হয়েছে হামলাকারীর ঝলসানো দেহ।

কেন এই হামলা, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি লিভারপুল পুলিশ। তবে আজ সারা দিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জেরা করে হামলার কারণ জানার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, গত কাল রিমেমব্রান্স ডে-র বিশেষ অনুষ্ঠানে নাশকতাই উদ্দেশ্য ছিল হামলাকারীর। কারণ লিভারপুল হাসপাতাল থেকে একটু দূরেই ছিল অনুষ্ঠানস্থল। গোটা ঘটনায় অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে সম্ভাব্য নাশকতার ছক বানচাল করে দেওয়ার জন্য ট্যাক্সিচালকের প্রশংসা করেছেন লিভারপুলের মেয়র জোয়ান অ্যান্ডারসন।