সিরিজ বাঁচানোর মিশন;মাহমুদউল্লাহদের

33

পাকিস্তানের বিপক্ষে হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু। প্রথম ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রানের আক্ষেপ। তার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই নামতে হচ্ছে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে। সিরিজ বাঁচাতে হলে এই ম্যাচটি জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই, তাই বলা চলে এবার মিশন সিরিজ বাঁচানোর।

শনিবার (২০ নভেম্বর) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরে মাহমুদউল্লাহর দল পিছিয়ে আছে ১-০ তে। আজ জয়ের দেখা পেলে সিরিজে আসবে সমতা, না হয় এক ম্যাচ বাকি থাকতেই হারতে হবে সিরিজ।

প্রথমটিতে বাংলাদেশ লড়াইয়ের মতো সংগ্রহ ছুঁড়ে দিতে পারেনি। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মিছিলে কোনো মতে ১২৭ রান করে। পাকিস্তানের মতো ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে তা কোনোমতেই চ্যালেঞ্জিং স্কোর নয়। তাইতো তাসকিন আহমেদ-মোস্তাফিজুর রহমানদের শুরুতে দারুণ বোলিংয়ের পরও ম‌্যাচ বের করে নেয় পাকিস্তান। পাওয়ার প্লে-তে ২৪ রান না হতেই ৪ উইকেট হারিয়েও বাবর আজমের দল ম্যাচ জেতে ৪ উইকেটে।

এই হারের পেছনে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাই বড় কারণ। ওপেনিংয়ে অভিষেক হয়েছিল সাইফ হাসানের। তবে সুযোগ কাজে লাগেতে পারেননি। মোহাম্মদ নাঈমও সাইফের পথেই হাঁটেন। দুজনের ব্যাট থেকেই আসে ১ রান করে। তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। তবে মাহমুদউল্লাহ এক ম্যাচ দেখেই সাইফকে নিয়ে মন্তব্য করতে নারাজ।

ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে সাইফের দুর্বলতা আছে কি না এক প্রশ্নে বলেন, ‘টেকনিকের বিষয় আমি খুব একটা বলতে পারব না। আমার কাছে মনে হয় ওর ভালো টেকনিক আছে। প্রথম ম্যাচ যে কারোরই খারাপ হতে পারে। ও ইনশাআল্লাহ্ কামব্যাক করতে পারবে।’

ব্যাটসম্যানরা যে ডুবিয়েছেন সেটি মাহমুদউল্লাহ ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের রান করার কথাই বলেছেন তিনি। ‘মেহেদী দারুণ পারফর্ম করছে। দলের জন্য ব্যাট ও বল হাতে অবদান রাখছে। তাসকিনও দুর্দান্ত পারফর্ম করছে। সবাই ভালো পারফর্ম করছে। আফিফ আজকে খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। সোহান খুব ভালো করেছে। সব কিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় আমাদের ব্যাটিংটা আরও ভালো করতে হবে।’

বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তত্বে বাংলাদেশ অধিনায়ক কাল আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে বোলিংয়ই দেননি। পুরো ম্যাচজুড়ে নিজে বোলিং করে বিপ্লবকে বোলিং করিয়েছেন শেষ ওভারে। তখন পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬ বলে ২ রান। এই ম্যাচে বিপ্লবকে একাদশে না দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দলে আসতে পারেন নাসুম আহমেদ। এছাড়া, আর কোনো পরিবর্তেনের সম্ভাবনা খুব একটা নেই। যদি সাইফকে বসানো হয় তাহলে দলে ঢুকতে পারেন ইয়াসির আলী রাব্বী। সেই ক্ষেত্রে ওপেনিংয়ে নাঈমের সঙ্গে শান্তকে দেখা দেখা যেতে পারে।

প্রথম ম্যাচের মতো বাংলাদেশ একাদশ সাজাতে পারে তিন পেসার ও দুই স্পিনার নিয়েই। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে থাকা পাকিস্তান নামতে পারে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই।